বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কোচিং সেন্টার খোলা রাখার দায়ে নাজিরপুরে ২ শিক্ষকের অর্থদণ্ড। দৈনিক শীর্ষ সংবাদ স্বরূপকাঠিতে হরিনের মাংস রাখার দায়ে এক মহিলার জরিমানা স্বরূপকাঠিতে মুক্তিযোদ্ধার ঘরসহ তিনটি বসতঘর ভস্মিভূত নেছারাবাদে জাইকার অর্থায়নে দেয়া এ্যম্বুলেন্স তিন বছরে ব্যাবহার হয়নি স্বরূপকাঠী পৌরসভার নগর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ স্বরূপকাঠিতে লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে প্রশাসন।দৈনিক শীর্ষ সংবাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করায় স্বরূপকাঠিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একজন গ্রেফতার স্বরূপকাঠিতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার জলাবাড়ীতে অ্যাসাইনমেন্ট দেয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা স্বরূপকাঠির জলাবাড়ী ইউনিয়নে জেলেদের ৩৬ বস্তা চাল গায়েব

ইন্দুরকানীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিলের সার্টিফাই কপি দিলেন না উপজেলা নির্বাচন অফিসার

  • প্রকাশের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১
  • ৭৭ জন দেখেছেন

এম এ মুন্না, পিরোজপুরঃ  পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিলের সার্টিফাই কপি দিলেন না উপজেলা নির্বাচন অফিসার। আর ওই সার্টিফাই কপি চেয়ে জেলা রিটানিং অফিসারের কাছে আবেদন করেছেন ওই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান জানান, গত ১৯ মার্চ বিকালে উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়ন যাচাই বাছাই ছিল। কিন্তু ওই বাছাইতে তার প্রার্থীতা বাতিল করতে তার সমর্থনকারি এনায়েত শিকদারকে বালিপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কবির বয়াতীর লোকজন অপহরন করে নিয়ে যায়। আর ওই সমর্থন কারীর স্বাক্ষরে গড়মিল আছে বলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন।
জানা গেছে, সমর্থনকারী অপহরনের বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে নির্বাচন অফিসার তা ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনর্চাজের কাছে পাঠান । অপহরনের সাড়ে তিন ঘন্টা পর ইন্দুরকানী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত সমর্থনকারী এনায়েতকে উদ্ধার করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান অভিযোগ করে জানান, গত সোমবার সকালে তিনি নির্বাচন অফিসারের কাছে তার মনোনয়ন বাতিলের সার্টিফাই কপি আনতে গেলে নির্বাচন অফিসার কৌশলে অফিস থেকে বেরিয়ে চলে যান। পরে আমার লোকজন কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করে অফিসের কারো কাছ থেকে কোন রকম সহযোগীতা না পেয়ে তারা চলে আসেন। উপজেলা নির্বাচন অফিসার সময়ের কালক্ষেপন করতে ও প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে আমার প্রার্থীতা বাতিল করেছেন। তিনি আরো জানান, নির্বাচন অফিসার ষড়যন্ত্র করে বিকাল সারে চারটার দিকে অফিসে আসেন । যাতে করে আমার মনোনয়ম বাতিলের সার্টিফাই কপি তুলতে না পারি ও আদালতে আপিল করতে না পারি। তিনি জানান, নির্বাচন অফিসার নৌকার প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় বিজয়ী করতে এ টালবাহানা করছেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার এএসএম রোকনুজ্জামান বলেন, আমি যখন অফিসে ছিলাম তিনি তখন অফিসে আসেননি। আর সে যখন অফিসে এসছিলো তখন আমি অফিসে ছিলাম না।

শেয়ার করুন

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2020 dailyshirshosongbad
Developed By NCB IT